- 2
- 2
- 4
আমি যুথন।বাংলাদেশের দক্ষিন পশ্চিমে মেঘনা নদীর কোল ঘেষা একটা জেলায় আমার বাড়ি।আমার আব্বা বিদেশে ব্যাবসা করে প্রতি ১১ মাস পর দেশে আসে একমাস থাকে।এ গল্পের কাহিনি কোন কল্পকাহিনী বা প্যান্টাসী নয়। একবারে বাস্তব কথা।
যাইহোক ঘটনা করোনার লকডাউনের সময়।
তখন আমি ক্লাস ১০ এ পড়ি।কিন্তু লকডাউনের কারনে সব বন্ধ। বাড়িতে আশে পাশের প্রতিবেশি সময়বয়সীদের সাথে দুষ্টামীতে সময় কাটে।একদিন রাতে সবাই মিলে বাড়ির এক কাকার গাছের ডাব খেয়েছি চুরি করে।কিন্তু পরদিন ধরা পড়ে যাই। তাই ব্যাপক সমস্যা হয় কারন কাকা ছিলো আমাদের তৎকালীন চেয়ারম্যানের খুব কাছের মানুষ।মানে ব্যাপক ক্ষমতা দেখাতো।তো আমাকে থানায় নেবে এই সেই অনেক ধমক।আমি নিরুপায় হলাম কি করবো।মা জানলে তিনিও বকাবকি করবেন।কিন্তু বিধিবাম মা জেনেই গেছে। মা কাকাকে বুঝালো দেখেন আমার ছেলেত এমন না হয়ত বন্ধুদের সাথে মিশে এটা করছে। কাকা মাকে বললো ভাবি আপনার ছেলেই লিড দিয়ে পোলাপান নিয়ে আমার গাছের ডাব খাইছে, ওরা মানুষ ছিনে না।আমি দেখিয়ে ছাড়বো।মা ভয় পায়।মায়ের হালকা বর্ননা দি।ওনি লাম্বায় ৫ফিট ৪" এবং উজ্জল শ্যাম বর্নের।তবে মায়ের চরিত্র তখনো যথেষ্ট ভালো এবং শালীনতা বজায় রাখতো।বয়স বেশি না মাত্র তখন ৩৪।
গল্পে আসি
কাকার হুমকিতে মা ভয় পায়। মা বলে ভাই এগুলা করিয়েন না আমি দরকার হয় জরিমানা দিয়ে দেবো।কাকা বলে আচ্ছা। মানে জরিমানার কথা শুনে সে ঠান্ডা হয়ে যায়।পরদিন মা ওনার ঘরে গিয়ে জরিমানা দিয়ে আসে।কিন্তু আসার পর মা যেন একটু অন্য মনস্ক চুপচাপ। ২/৩ দিন পর আবারও ঐ কাকা আমাদের বাড়ি ঘরে আসে।মা তখন রান্না করতেছে।এসেই মায়ের খোঁজ খবর নিলো।মা চুপচাপ ২/১ টা জবাব দিতেছে।আমারে কাকা বললো এটকু আমার ঘরে যাতো যুথন আমার মানিব্যাগটা টেবিলের উপর দেখবি নিয়ে আয়।আমি ওনার ঘরে গিয়ে আবার পিরে আসতে ৫/৬ মিনিট সময় লাগলো সব মিলিয়ে।আমি এসে মানিব্যাগ দিলাম।ওনি ২০০০ টাকা বের করে মায়ের হাতে দিয়ে বললো নেন জরিমানা লাগবে না।শুধু একটু ভেবে দেখিয়েন। কথাদিলাম আপনার এখানে কোন সমস্যা হবে না।মা টাকাটা হাতে নিয়ে বললো ওকে।কিন্তু মায়ের মুখে মুচকি হাসি।ওনি টাকা দিয়ে ছলে গেলে। মাকে বলি কি বলছে আপনারে ভাবতে।কিন্তু মা মনে হয় আমার সে কথা শুনেই নাই এমন ভাব।আমিও আর এত গুরুত্ব দি নাই। রাতে মাকে খাবার দিতে ডাকাব গিয়ে দেখি মায়ের রুমের দরজা লাগানো।মা মোবাইলে কথা বলতেছে শুনতেছি।বলতেছে আমার লজ্জা এবং ভয় দুটোই লাগে।একটু ভাবতে সময় দেন ভাই।আবার বলতেছে কি বলেন আপনার ভাইয়ের সাথেও কখনো এটা করিনি।
চলবে-----
যাইহোক ঘটনা করোনার লকডাউনের সময়।
তখন আমি ক্লাস ১০ এ পড়ি।কিন্তু লকডাউনের কারনে সব বন্ধ। বাড়িতে আশে পাশের প্রতিবেশি সময়বয়সীদের সাথে দুষ্টামীতে সময় কাটে।একদিন রাতে সবাই মিলে বাড়ির এক কাকার গাছের ডাব খেয়েছি চুরি করে।কিন্তু পরদিন ধরা পড়ে যাই। তাই ব্যাপক সমস্যা হয় কারন কাকা ছিলো আমাদের তৎকালীন চেয়ারম্যানের খুব কাছের মানুষ।মানে ব্যাপক ক্ষমতা দেখাতো।তো আমাকে থানায় নেবে এই সেই অনেক ধমক।আমি নিরুপায় হলাম কি করবো।মা জানলে তিনিও বকাবকি করবেন।কিন্তু বিধিবাম মা জেনেই গেছে। মা কাকাকে বুঝালো দেখেন আমার ছেলেত এমন না হয়ত বন্ধুদের সাথে মিশে এটা করছে। কাকা মাকে বললো ভাবি আপনার ছেলেই লিড দিয়ে পোলাপান নিয়ে আমার গাছের ডাব খাইছে, ওরা মানুষ ছিনে না।আমি দেখিয়ে ছাড়বো।মা ভয় পায়।মায়ের হালকা বর্ননা দি।ওনি লাম্বায় ৫ফিট ৪" এবং উজ্জল শ্যাম বর্নের।তবে মায়ের চরিত্র তখনো যথেষ্ট ভালো এবং শালীনতা বজায় রাখতো।বয়স বেশি না মাত্র তখন ৩৪।
গল্পে আসি
কাকার হুমকিতে মা ভয় পায়। মা বলে ভাই এগুলা করিয়েন না আমি দরকার হয় জরিমানা দিয়ে দেবো।কাকা বলে আচ্ছা। মানে জরিমানার কথা শুনে সে ঠান্ডা হয়ে যায়।পরদিন মা ওনার ঘরে গিয়ে জরিমানা দিয়ে আসে।কিন্তু আসার পর মা যেন একটু অন্য মনস্ক চুপচাপ। ২/৩ দিন পর আবারও ঐ কাকা আমাদের বাড়ি ঘরে আসে।মা তখন রান্না করতেছে।এসেই মায়ের খোঁজ খবর নিলো।মা চুপচাপ ২/১ টা জবাব দিতেছে।আমারে কাকা বললো এটকু আমার ঘরে যাতো যুথন আমার মানিব্যাগটা টেবিলের উপর দেখবি নিয়ে আয়।আমি ওনার ঘরে গিয়ে আবার পিরে আসতে ৫/৬ মিনিট সময় লাগলো সব মিলিয়ে।আমি এসে মানিব্যাগ দিলাম।ওনি ২০০০ টাকা বের করে মায়ের হাতে দিয়ে বললো নেন জরিমানা লাগবে না।শুধু একটু ভেবে দেখিয়েন। কথাদিলাম আপনার এখানে কোন সমস্যা হবে না।মা টাকাটা হাতে নিয়ে বললো ওকে।কিন্তু মায়ের মুখে মুচকি হাসি।ওনি টাকা দিয়ে ছলে গেলে। মাকে বলি কি বলছে আপনারে ভাবতে।কিন্তু মা মনে হয় আমার সে কথা শুনেই নাই এমন ভাব।আমিও আর এত গুরুত্ব দি নাই। রাতে মাকে খাবার দিতে ডাকাব গিয়ে দেখি মায়ের রুমের দরজা লাগানো।মা মোবাইলে কথা বলতেছে শুনতেছি।বলতেছে আমার লজ্জা এবং ভয় দুটোই লাগে।একটু ভাবতে সময় দেন ভাই।আবার বলতেছে কি বলেন আপনার ভাইয়ের সাথেও কখনো এটা করিনি।
চলবে-----